বরগুনায় ২ জনের মৃত্যু, ৫০০০ বসতি ক্ষতিগ্রস্ত

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে বরগুনায় ২ জন নিহত হয়েছেন। একটি ট্রলারসহ ১৫ জন জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। এছাড়াও ট্রলারডুবিতে ৪জন জেলে আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় চলাকালীন ঘরচাপা ও গাছ পড়ে ১৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় বরগুনা জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে ঘূর্ণিঝড়ে বুলবুলে ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ দিয়েছেন।

এসময় পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. হুমায়ূন শাহিন খানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ জানিয়েছেন, বরগুনা সদর উপজেলার এম.বালিয়াতলী ইউনিয়নের বানাই গ্রামের মোজাফ্ফর আলীর স্ত্রী হালিমা খাতুন শনিবার রাতে ডিএন কলেজ আশ্রয়কেন্দ্রে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন। রোববার বিকেল ৪টার দিকে ঘূর্ণিঝড়ে বিদ্ধস্ত গাছের ডাল কাটতে ছিলেন, বরগুনা সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের ছোট লবনগোলা গ্রামের মহিবুল্লাহ। এসময় তিনি গাছ থেকে পড়ে আহত হলে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা গেছেন। 

ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে মারা গেছে তিনটি গবাদি পশু। ৫ হাজার ২৩৫টি বসতঘর এবং ৮৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিদ্ধস্ত হয়েছে। সাড়ে ৩৮ কিলোমিটার বেরিবাধের ক্ষতি হয়েছে। ৯ হাজার ৮৭৩ হেক্টর জমির আমন ধান ও ৫৫০ হেক্টর জমির শাক-সবজি ও পানের বরজের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ১ কোটি টাকার মাছের ক্ষতি হয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বুলবুলের আঘাতে সবেচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলা বলেশ্বর নদের তীরবর্তী পাথরঘাটা উপজেলা।

বরগুনা/রুদ্র রুহান/হাকিম মাহি

Source